240 total views, 28 views today

গত কিছুদিনের গুঞ্জনকে সত্যি করে বড় কোন পরিবর্তন ছাড়াই খেলোয়াড়দের নাম জানালেন মিনহাজুল আবেদী নান্নু এবং হাবিবুল বাশার সুমনের সমন্বয়ে নির্বাচক কমিটি। ১৫ সদস্যের স্বপ্নের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন ৭ জন। বাকি ৮ জনের আগেও বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে।

এখনও ওয়ানডেতে অভিষেকই হয়নি আবু জায়েদ রাহীর। অথচ টিকে গেছেন বিশ্বকাপ দলে। ৫টি টেস্ট এবং ৩টি টি-২০ ম্যাচ খেললেও এখন পর্যন্ত কোনো ওয়ানডে খেলেননি এ ডানহাতি মিডিয়াম পেসার। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, ‘রাহী নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে টেস্ট খেলেছিল। ওর বোলিংয়ে সুইং আছে, আমরা এটা চাচ্ছিলাম।

যেহেতু ইংলিশ কন্ডিশনে খেলা, আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ আছে। জুন মাসে ঠাণ্ডা বেশি থাকে, তাপমাত্রা কম থাকে। ফাস্ট বোলার অতিরিক্ত একজন সাথে রাখলে আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট। এই চিন্তা করেই রাহীকে রাখা হয়েছে।

তবে বিশ্বকাপে রাহীর জায়গা পাওয়ার মূল কারণই পেসার তাসকিন আহমেদের ইনজুরি। সবশেষ বিপিএলে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন তাসকিন। ১২ ম্যাচে ১৪.৪৫ গড়ে পেয়েছিলেন ২২টি উইকেট। আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও ছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে শেষ ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ফিল্ডিং করার সময় চোট পান গোড়ালিতে। এরপর ইনজুরি কাটিয়ে গত মাস থেকেই পুনর্বাসন শুরু করেছিলেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দুটি ম্যাচেও খেলেছিলেন। কিন্তু পুরনো ছন্দ খুঁজে পাননি। তাই তাকে আর বিবেচনা করেননি নির্বাচকরা।

এদিকে চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দারুণ ফর্মে রয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। মূলত একজন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এবং বল হাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন কখনো বিশ্বকাপ না খেলা মোসাদ্দেক।

নান্নু বলেন, ‘আমরা একটা অলরাউন্ডার চাচ্ছিলাম যে অফ স্পিন করতে পারে। রিয়াদের কাঁধে চোট আছে, বোলিং নাও করতে পারে। এটা চিন্তা করে ব্যাকআপ হিসেবে স্পিন অলরাউন্ডার সৈকতকে নেওয়া।’

ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড মঙ্গলবার যে দল ঘোষণা করেছে, তাতে নেই ইমরুল কায়েস। এর আগে নিউজিল্যান্ড সফরেও বাদ পড়েছিলেন তিনি, তবে পরে সুযোগ পেয়ে তিনি নিউজিল্যান্ডে গিয়ে হয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। মূলত ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ইমরুল কায়েসের পারফরম্যান্সের পর থেকে তিনি আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন।

কিন্তু তারপরেও তাকে কেনো দলে নেয়া হচ্ছে না এ নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর আরও একবার ওই প্রশ্ন উঠেছে, সমর্থকরা জানতে চাইছেন যে ইমরুল কায়েস আবারও কেন বাদ পড়লেন।

ইমরুল জানান, “আমি নিজেও জানি না আমি কেনো দলে নেই, ভালো খেলার পর সিরিজগুলো কেনো খেলতে পারি না এ বিষয়ে আমি পরিষ্কার না।” প্রধান নির্বাচক মিহাজুল আবেদীন নান্নু অবশ্য দল ঘোষণার ক্ষেত্রে বলেছেন এখানে ফর্ম আর কন্ডিশন ভিন্ন। “ফর্ম ও কন্ডিশন বিবেচনায় ওকে বাদ দেয়া হয়েছে, কিন্তু এখানে কাউকে উপেক্ষা করা হয়নি,” বলছিলেন মি: নান্নু।