মহেন্দ্র সিং ধোনির বিকল্প খোঁজার প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তাঁর প্রাক্তন সহযোদ্ধা গৌতম গম্ভীর। তাঁর অভিমত, আগামী বিশ্বকাপের জন্য নতুন উইকেট কিপার দরকার। সে কারণে তরুণদের এখন থেকে তৈরি করতে হবে।

ধোনি নিজেও অধিনায়ক থাকাকালীন আগামীর দিকে তাকিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মনে পড়ছে, অস্ট্রেলিয়া সফরে আমায় বলেছিল, আমি, সচিন ও শেবাগ একসঙ্গে সিবি সিরিজ খেলতে পারব না। কারণ ওখানকার সব মাঠই বড়। তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দিতে চেয়েছিল। ওটা ধোনির অত্যন্ত বাস্তবোচিত সিদ্ধান্ত ছিল’।

এর আগে গম্ভীরের ওপেনিং পার্টনার বীরেন্দ্র সহবাগ বলেছিলেন,’কখন জুতো তুলে রাখা দরকার, সেটা ধোনি ভালোমতোই জানে। ধোনির সঙ্গে কথা বলা দরকার নির্বাচকদের। ভারতের উইকেট কিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁকে যে ভাবা হচ্ছে না, সেটা জানানো দরকার ধোনিকে’।

বিশ্বকাপে তরুণদের খেলানোর পরিকল্পনা থেকে টেন্ডুলকার, সৌরভ, শেবাগ, গম্ভীরদের মতো ক্রিকেটারদের ধীরে ধীরে দল থেকে ছেঁটে ফেলেছিলেন তখনকার অধিনায়ক ধোনি। সেই ধোনি ৩৯ বছর বয়সে পা রেখে এখনো নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু বলছেন না। ধোনির এই দ্বিমুখী অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া

দেশটির ইতিহাসে অন্যতম সেরা এ ক্রিকেটার এখন যে অবস্থানে দাঁড়িয়ে তা যেন সে সময়েরই পুনরাবৃত্তি। ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অধিনায়ক ধোনি। নির্বাচকদের বলেছিলেন, সৌরভ গাঙ্গুলি ও রাহুল দ্রাবিড়কে ওয়ানডে সেট-আপ থেকে সরানো হোক। এর কারণ হিসেবে ফিল্ডিংয়ে দুজনের দুর্বলতার কথা বলেছিলেন ধোনি।

চার বছর পর আবারও সেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই আরেকটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ধোনি। ২০১২ সিবি সিরিজে শচীন টেন্ডুলকার, শেবাগ ও গম্ভীরের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের ‘রোটেশন পলিসি’র মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেন তৎকালীন ভারতের এ অধিনায়ক। দলে তরুণদের জায়গা পোক্ত করতেই সিনিয়র ক্রিকেটারদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ধোনি।