এ+, এ ও বি ক্যাটাগরিতে ১২ জন ও রুকি ক্যাটাগরিতে ৫ জনকে রেখে ২০১৯ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তি গঠন করা হয়েছে। ২০১৮ সালের কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে থাকা ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ফিরেছেন। নতুন মুখ হিসেবে সুযোগ মিলেছে পাঁচ ক্রিকেটারের। আবু হায়দার রনি, আবু জায়েদ রাহি, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাঈম হাসান ও খালেদ আহমেদকে রুকি ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বোর্ড সভায়। সুতরাং আগের কাঠামোতেই বেতন পাবেন ক্রিকেটাররা।

‘এ প্লাস’ শ্রেণির ক্রিকেটাররা পাবেন মাসিক ৪ লাখ টাকা করে। এই ক্যাটাগড়িতে আছেন, মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল খান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

‘এ’ শ্রেণিতে থাকা খেলোয়াড়েরা পাবেন মাসিক ৩ লাখ। এই ক্যাটাগড়িতে আছেন, ইমরুল কায়েস, মুস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন।

‘বি’ শ্রেণির ক্রিকেটাররা ২ লাখ টাকা করে পাবেন। এই ক্যাটাগড়িতে আছেন, মুমিনুল হক, লিটন কুমার দাস, মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম।

‘রুকি’ শ্রেণির ক্রিকেটারদের সম্মানী ১ লাখ টাকা করে। আবু হায়দার রনি, আবু জায়েদ রাহি, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাঈম হাসান ও খালেদ আহমেদ আছেন এই ক্যাটাগড়িতে।

এই বেতনই অবশ্য ক্রিকেটারদের প্রাপ্তির শেষ নয়। এর পাশাপাশি ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পেয়ে থাকেন। প্রতি টেস্টের ম্যাচ ফি সাড়ে ৩ লাখ। প্রতি ওয়ানডের ম্যাচ ফি ২ লাখ এবং টি-টোয়েন্টির ম্যাচ ফি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার জন্য ক্রিকেটাররা পান পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার মতো।

এর বাইরে ক্রিকেটারদের আয়ের মধ্যে আছে বিপিএল বা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মতো টুর্নামেন্টে বিভিন্ন দলের হয়ে খেলা থেকে পাওয়া আয়। কেউ কেউ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও খেলে আয় করেন। বিভিন্ন পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করেও বড় অঙ্কের আয় আসে ক্রিকেটারদের।