বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। খেলার মাঠে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা আজকের নয়। বহুকাল আগে থেকেই দু’দলের মধ্যে রেষারেষি। যে কারণে মাঠের বাইরেও এ দু’দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে লেগে থাকে কথার যুদ্ধ। সম্পর্কটা যেন সাপে-নেউলের মতো। আর এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলই আজ একে অপরের বিরুদ্ধে লড়বে পরম আকাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিটের জন্য।

ইতিহাসের পাতা উল্টানো হয় বা পরিসংখ্যান টানা হয় তাহলে ইংল্যান্ডের চেয়ে ফেবারিট অস্ট্রেলিয়াই। বিশ্বকাপের আগে হঠাৎ করে নিজেদের সেই চিরচেনা রূপ ফিরে পাওয়া অস্ট্রেলিয়া আসর এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের আরও শক্তিশালী গড়ে তুলেছে। যদিও প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচে তারা দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে।

এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফিরেই অস্ট্রেলিয়ার স্বপ্নসারথি হয়ে উঠেছেন ওয়ার্নার। নয় ম্যাচে করেছেন আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৩৮ রান। রান তোলার গতি একটু মন্থর হলেও উইকেটে একবার দাঁড়িয়ে গেলে ওয়ার্নার একাই শেষ করে দিতে পারেন যে কোনো প্রতিপক্ষকে।

দুই পেসারের গতির লড়াই ম্যাচের অন্যতম বড় আকর্ষণ। লিগপর্বে মিচেল স্টার্কের গতির আগুনে পুড়েছিল ইংল্যান্ড। নয় ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের নেতা। আজ এক উইকেট পেলেই পূর্বসূরি গ্লেন ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের নতুন রেকর্ড গড়বেন স্টার্ক। বিশ্বকাপের ঠিক আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা জফরা আর্চারও গতির ঝরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন। নয় ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে আসরে ইংল্যান্ডের সফলতম বোলার আর্চার।