বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চারটি করে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুদলই একটি করে জয় পেয়েছে, হারের মুখ দেখেছে দুটি এবং একটি করে পরিত্যক্ত হয়েছে। উভয় দলেরই দখলে ৩ পয়েন্ট। ফলে সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই কোনো দলেরই।

ক্যারিবীয়রা যে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের সামনে ৩২২ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে। ক্যারিবীয়রা ৩২১ রান করার পরই চারদিকে প্রশ্নের বান, এই বিশাল স্কোর তাড়া করে পারবে কি বাংলাদেশ? ভক্ত-সমর্থকরা আশাবাদী হতেই পারেন। কারণ, বাংলাদেশ নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিতেছিল বিশ্বকাপেই।

খুব বেশিদুরে নয়, ২০১৫ বিশ্বকাপেই এই রেকর্ড গড়েছিল টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডের নেলসনে স্কটল্যান্ডের করা ৩১৯ রান তাড়া করতে নেমে তামিম ইকবালের অনবদ্য ৯৫ রানের ওপর ভর করে ৩২২ রান করে জিতেছিল বাংলাদেশ। তাও ১১ বল হাতে রেখেই।বিশ্বকাপ ছাড়াও ৩০০ প্লাস রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩১৩ রান করে জিতেছিল টাইগাররা। এছাড়া ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩০৯ রান তাড়া করেও জিতেছিল টিম বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সঙ্গত কারণে এসে যাচ্ছে অতীত-বর্তমান রেকর্ড-পরিসংখ্যান।

১. ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ৩৭ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের ২১ জয়ের বিপরীতে টাইগারদের জয় ১৪। দুই ম্যাচের ফল হয়নি।

২. বিশ্বকাপ ইতিহাসে চারবার লড়াইয়ে নেমেছে দুদল। তিন ম্যাচেই জিতেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা। একটি পরিত্যক্ত হয়েছে।

৩. সবশেষ বিশ্বকাপে মুখোমুখিতে মাত্র ৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ১২.২ ওভারেই তা টপকে ফেলে উইন্ডিজ।

৪. সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ : বাংলাদেশ ৩০১/৬, সেন্ট কিটস, ২০১৮ – ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৩৮/৭, সেন্ট কিটস, ২০১৪

৫. দলীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ : বাংলাদেশ ৫৮/১০, মিরপুর, ২০১১ – ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬১/১০, চট্টগ্রাম, ২০১১

তবে সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্সে যোজন যোজন এগিয়ে মাশরাফিরা। হোল্ডারদের সঙ্গে সবশেষ ৯ দেখায় সাতটিতেই জয়ের মুখ দেখেছেন তারা। স্বাভাবিকভাবেই এ আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবেন লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। সেখানে অতীত থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজবেন গেইলরা।

বিশ্বকাপ এর পয়েন্ট টেবিল: