ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল স্বপ্নে একটু হলেও আশার দোলা লেগেছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, সম্ভাবনা খোলা থাকছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানর সামনেও। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে শ্রীলঙ্কা শুধু বিশ্বকাপে প্রাণই ফেরায়নি, জমিয়ে দিয়েছে সেমিফাইনালের সমীকরণও। যে ইংল্যান্ডকে ভাবা হচ্ছিল বিশ্বকাপের ফেবারিট, তারাও এখন সেমিফাইনালের আগেই বাদ পড়ে যেতে পারে! শ্রীলঙ্কার এমন জয়ে সম্ভাবনা জেগে উঠেছে বাংলাদেশেরও। নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকভাবে করতে পারলে আর বাকি সমীকরণগুলো মিলে গেলে বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠাও অসম্ভব কিছু না।

তা কী সেই সমীকরণগুলো? প্রথম শর্ত, ইংল্যান্ডকে হারতে হবে বাকি তিন ম্যাচেই। দলটির শক্তিমত্তার কথা মাথায় রেখে যাদের কাছে এটিকে একেবারেই অসম্ভব মনে হচ্ছে, তাদের জন্য দেওয়া যেতে পারে ছোট্ট একটি সহায়ক তথ্য। ইংলিশদের বাকি তিন ম্যাচের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৯২ বিশ্বকাপের পর থেকে এই তিন দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপে কখনো জেতেনি ইংল্যান্ড। ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল ১৯৯২ বিশ্বকাপে, আর নিউজিল্যান্ডকে শেষবার হারিয়েছিল ১৯৮৭ বিশ্বকাপে। এ বিশ্বকাপে তিন দলই আছে দারুণ ফর্মে। ইংলিশদের কাজটা তাই সহজ হবে না মোটেও।

ইংল্যান্ড তিন ম্যাচ হারলেই কেবল সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হবে বাংলাদেশের। বাকি সব ম্যাচে হারলে তাদের পয়েন্ট আটকে থাকবে সেই ৮-এই। ৭ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের পয়েন্ট আপাতত ৭। মাশরাফিদের ম্যাচ বাকি ২টি। প্রতিপক্ষ এশিয়ার দল ভারত ও পাকিস্তান। পয়েন্ট তালিকায় ইংল্যান্ডকে টপকাতে হলে বাংলাদেশকে জিততে হবে অন্তত একটি ম্যাচ। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৯, ইংল্যান্ডকে টপকে পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ দল হওয়ার দৌড়ে তখন এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। আর দুটি ম্যাচেই জিততে পারলে পয়েন্ট হবে ১১, সে ক্ষেত্রে সম্ভাবনা বেড়ে যাবে আরও খানিকটা।

World Cup Point Table: