ছয় বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেললেও ভারতের জয়-পরাজয়ের হিসাবটা সমান সমান। জয় এসেছে তিন বার, হারও সমসংখ্যক ম্যাচে। ১৯৮৩-র বিশ্বকাপে প্রথম সেমিফাইনালেই জয় তুলে নেয় কপিল দেবের ভারত। ইংল্যান্ডকে তাঁদের মাটিতে হারায় ৬ উইকেটে। তার পরের ম্যাচে কাপ হাতে লর্ডসের ব্যালকনিতে কপিলদেবের ছবি ভুলতে পারবেন না ক্রিকেটপ্রেমীরা। পরের বার ১৯৮৭-এর সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় ভারত। মুম্বাই-এর সেই সেমিফাইনালে ভারত হেরে যায় ৩৫ রানে।

১৩ বছর পর নিজেদের দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছয় ভারত। ইডেনের সেই ভয়াবহ সেমিফাইনাল আজও মনে আছে ক্রিকেট ভক্তদের। দর্শক বিক্ষোভে বন্ধ হয়ে যাওয়া ম্যাচে জয়ী ঘোষণা করা হয় শ্রীলঙ্কাকে। ২০০৩-এর বিশ্বকাপে ভারত হারায় কেনিয়াকে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের শতরানে জেতে ভারত। যদিও ফাইনালে হেরে যায় তৎকালীন ক্রিকেট শাসক অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। ২০১১-র বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ২৯ রানে হারায় ভারত। ভারত প্রথমে ব্যাট করে ২৬০ রান করে। পাকিস্তান ২৩১ রানে অলআউট হয়ে যায়। শেষ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয় ভারত। অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের শতরানে ৩২৮ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ভারত শেষ হয়ে ২৩৩ রানে।

এ বারে ম্যানচেস্টারে ভারতের বিরুদ্ধে কিউয়িরা। লিগ শেষে প্রথম নক আউট ম্যাচ। বৃষ্টির কারণে আজ যদি খেলা না হয় তাহলে আগামীকাল বুধবার রিজার্ভডেতে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। যদি বুধবারও বৃষ্টি হয় আর ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয় তাহলে নিউজিল্যান্ডকে হটিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে চলে যাবে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারত। তার কারণ গ্রুপ পর্বে কোহলিরা সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে।